Posts

Showing posts from April, 2021

গাভীকে মা হিসেবে শ্রদ্ধা করা

Image
দুগ্ধবতী গাভীকে মনে করা হয় সর্বভূতের মাতা হিসেবে (মাতরঃ সর্বভূতানাং গাবঃ সর্বসুখপ্রদাঃ) 🚩>>#শ্রীচৈতন্যদেব গো-সম্পর্কে বলেছেন, || গোদুগ্ধ খাও তাই গাভী তব মাতা বৃষ অন্ন উপজায় তাহে তেহ পিতা || 🚩>>#বৃহৎপরাশরস্মৃতিতে, "গরুকে স্পর্শ করলে পাপ দূর হয়, গরুর সেবা করলে বিত্ত লাভ হয়, গোদান করলে স্বর্গলাভ হয়।" (গরুর মস্তকে ব্রহ্মা, স্কন্ধে শিব, পৃষ্টে নারায়ণ, চরণে বেদসমূহ এবং গাভীর লোমে অন্যান্য দেবতারা অবস্থান করেন) 🚩>>#দেবলের মতে, "গরু অষ্টমঙ্গলের অন্যতম। অষ্টমঙ্গলসমূহ হলো── ব্রাহ্মণ, গরু, অগ্নি, স্বর্ণ, ঘৃত, সূর্য, জল ও রাজা। তাই গরুকে দর্শন, নমস্কার, অর্চনা ও প্রদক্ষিণ করলে আয়ু বৃদ্ধি পায়।" 🚩>>#ব্রহ্মপুরাণ অনুসারে, "গাভীকে প্রদক্ষিণ করলে সপ্তদ্বীপা পৃথিবী ভ্রমণের ফল লাভ হয়।" 🚩>>#বিষ্ণুপুরাণ মতে, "গরুর মল, মূত্র, ক্ষীর, ঘৃত, দধি ও রোচনা পরম পবিত্র ও বহুগুণযুক্ত।" 🚩>>#শ্রীল_প্রভুপাদ বলেছেন, "যেহেতু আমরা গাভীর দুধ সেবন করি তাই আমাদের উচিত গাভীকে মা হিসেবে শ্রদ্ধা করা। এটাই শিষ্টাচার।"

ইসকনের সাতটি উদ্দেশ্য

Image
#আন্তর্জাতিক_কৃষ্ণভাবনামৃত_সংঘের_সাতটি_উদ্দেশ্য_এবং_তার_ব্যাখ্যা যখন কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ ১৯৬৬ সালে পাশ্চাত্যে প্রথম হরেকৃষ্ণ আন্দোলনের সূচনা করলেন তখন তিনি সাতটি উদ্দেশ্যের কথা লিখেছিলেন, যা থেকে স্পষ্ট হওয়া যায় যে, এই ‘আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ’ ( ইস্কন ) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি কী চেয়েছিলেন। শ্রীল প্রভুপাদ যখন প্রথম তাঁর গুরুদেব শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের সঙ্গে মিলিত হয়েছিলেন, সেই প্রথম সাক্ষাতেই তাঁর গুরু মহারাজ তাঁকে পাশ্চাত্যে কৃষ্ণভাবনামৃত প্রচারের উপদেশ প্রদান করেছিলেন এবং শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর তাঁর অপ্রকটের দিন কয়েক আগে তাঁর শিষ্য অভয়চরণকে ( ইস্কনের প্রতিষ্ঠাতা আচার্য শ্রীল প্রভুপাদ ) তাঁর লেখা শেষ চিঠিতে সেই একই নির্দেশের পুনরাবৃত্তি করেছিলেন। ইস্কনের মতো একটি সংঘ গঠনের লক্ষ্য শ্রীল প্রভুপাদের কাছে নতুন কিছু নয়। এমন একটি সংঘ গঠনের জন্য শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু ও তাঁর গুরু মহারাজের কাছ থেকে প্রাপ্ত গুরু-শিষ্য পরম্পরাগত জ্ঞান তো তাঁর ছিলই, সেই সঙ্গে তাঁর ছিল দৃঢ়ব্রততা ও নিজস্ব দূরদৃষ্টি। আমাদের আন্তর্জাতিক কৃ...

প্রশ্নঃ আমাদের কোন দিকে মাথা দিয়ে শয়ন করা উচিৎ? এবং কেন?

Image
#প্রশ্নঃ আমাদের কোন দিকে মাথা দিয়ে শয়ন করা উচিৎ?এবং কেন? #উঃ বৃহৎসংহিতা ও মৎসপুরান মতে দক্ষিণ ও পূর্ব দিকেই মাথা দেওয়া উত্তম। " ন কুবীর্ত ততঃ স্বপং শস্তং চ পূর্ব দক্ষিণম্।।"(পদ্মপুরাণ, সৃষ্টি ৫১/১২৫–১২৬) অর্থাৎ ,পদ্মপুরাণ মতেও পূর্ব ও দক্ষিণ দিকে মাথা রেখে শয়ন করা উচিৎ। শাস্ত্রে বলে পূর্বে মাথা দিলে বিদ্যা প্রাপ্তি আর দক্ষিণে ধনপ্রাপ্তি। বিষ্ণুপুরাণে (৩/১১/১১১) রয়েছে এর বিপরীত হলে আয়ুক্ষয় ও রোগ হয়। শাস্ত্রে আরো আছে, নিজের গৃহে পূর্ব ও শ্বশুর বাড়িতে দক্ষিণে শয়ন করা উচিৎ এবং বিদেশে থাকলে পশ্চিম দিকে মাথা রাখা উচিৎ। উত্তরে শয়ন সসর্বদাই পরিত্যাজ্য। গৃ্হস্থের রান্নাঘর, গোশালা,অন্নভান্ডার,পূজারঘর, গুরুস্থানে শয়ন নিষিদ্ধ। মরণাপন্ন ব্যক্তির মাথা উত্তরে হবে।আধুনিক বিজ্ঞানও উত্তরে মাথা না দিয়েই ঘুমানোর কথা বলেছে।মানুষ নিজেই একটি চুম্বক মানুষের মাথা হল উত্তরমেরু আর পা হল দক্ষিণ মেরু।পৃথিবীর চুম্বকীয়ক্ষেত্র দক্ষিণ থেকে উত্তরে প্রবাহিত হয়। মাথা যদি উত্তরে থাকে তাহলে রক্ত মাথার দিকে প্রবাহিত। ফলে শরীর অশান্ত হয় সুস্বপ্ন হয়।বিজ্ঞানী ফ্যারাডের সূত্র অনুযায়ী মানবদেহ বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং দেহ ...