Posts

Showing posts from June, 2021

কে প্রকৃত বন্ধু?

Image
কে প্রকৃত বন্ধু ? বন্ধু ৩ প্রকারের আছে। ১) বন্ধু ২) সখা ৩) সুহৃদ। #বন্ধু - বন্ধু মানে যে আসে যায় কিছুদিন আপনার সাথে থেকে তালে তাল দিল এ রকম বন্ধুই বেশি আসে জীবনে। যেমন, স্কুল, কলেজ পড়ে পকেটা গরম আছে কিছু দিন থাকল (এরা হলো বসন্তের কোকিল) যেই পকেট খালি ব্যাস, বন্ধুও খালি। বসন্ত কালে কোকিল যেমন কুহ কুহ করে গান গায়, আর যেই গরম কাল আসে তখন কোকিল উড়ে যায়, কেননা কোকিল সুখী, ঠিক বন্ধুও এইরকম। #সখা - সখা আপনাকে অন্ধের মত ভালোবাসে। আরে তুই যা করবি তাই ঠিকরে। ওরা সব ভুল বলছে, তুই ঠিক। সে আপনি ভুল করেন আর ঠিক করেন, সে আপনার পাসে সব সময় থাকবে। আপনি মনে মনে ভাবছেন যে কাজটা ভুল ছিলো, কিন্তু সে বলবে না না তুই ঠিক করেছিস। কেননা সে আপনাকে এতো ভালোবাসে, আপনি খারাপ করছেন না ভাল করছেন সব সময় আপনাকে সাপোর্ট করবে। খারাপ ভালো তুমিই ঠিক। যেমন : কর্ণ আর দুর্যোধন। #সুহৃদ - সুহৃদ মানে যে প্রকৃত পক্ষে ভালো চায়, সে আপনাকে বলবে এই এটা তুমি ভুল করেছো। আপনার খারাপ লাগলেও সে আপনাকে বলবে যেটা ভুল করছো, সেটা ঠিক নয়। আর যখন ভালো কিছু করবেন সে তখন আপনাকে উৎসাহ দিবে। সুতরাং আপনি কেমন এবং কার সাথে আপনি বন্ধুত্ব করবেন সেটা নি...
Image
#প্রণাম_প্রসঙ্গ..... #প্রণাম কত প্রকার? #পুরুষ ও নারীর প্রণাম বিধি কি? #বিগ্রহের সম্মুখে ফিরে কেন প্রণাম করা হয় না? #কোন শাস্ত্রে প্রণাম বিধি দেওয়া আছে? #শাস্ত্র অনুযায়ী প্রণাম করার বিধি দুই প্রকারঃ-(১)সাষ্টাঙ্গ প্রণাম,(২)পঞ্চাঙ্গ প্রণাম।* #সাষ্টাঙ্গ প্রণামঃ-(১)দুই বাহু,(২)দুই চরণ,(৩)দুই জানু,(৪)বক্ষ,(৫)মস্তক,(৬)দৃষ্টি (৭)মন ও (৮)বচন।এই আটপ্রকার অঙ্গ দ্বারা দণ্ডবৎ (লাঠিকে দাঁড় করিয়ে ছেড়ে দিলে যেমনভাবে পড়ে যায়,অর্থাৎ পূর্ণ সমর্পন) প্রণতি নিবেদন করাকে "সাষ্টাঙ্গ প্রণাম "বলা হয়।বাহু,চরণ,জানু,বক্ষ,শির (মস্তক)মাটিতে স্পর্শ করে চক্ষু ঈষৎ উন্মীলিত করে সোজাভাবে প্রণাম নিবেদন কর্তব্য।🙇প্রণামের ভাবধারা এইরকম থাকে যে ভগবানের পাদপদ্মযুগলে মাথা রেখে,ডান হাতে ভগবানের ডান চরণ ও বাম হাতে ভগবানের বাম চরণ ধারণ করে প্রার্থনা করতে হবে "হে প্রভূ!মৃত্যুরূপ সাগর থেকে ভীত ও শরণাগত,আমাকে রক্ষা করুন।" 'প্রপন্নং পাহি মামীশ ভীতং মৃত্যুগ্রহার্ণবাৎ।'(ভাগবত ১১/২৭/৪৬) এই প্রণাম নিবেদন করা একমাত্র পুরুষদের বিধেয়।* ☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆ *💥পঞ্চাঙ্গ প্রণামঃ-🙏(১)দুই জানু,(২)দুই বাহু,(৩)মস্তক,(৪)...

হাতে লাল সুতো বাধা হয় কেন?

Image
হরেকৃষ্ণ হাতে লাল সুতো বাঁধা হয় কেন? হিন্দুদের মধ্যে হাতে লাল সুতো বাঁধার প্রচলন রয়েছে, রাস্তাঘাটে চলতে গিয়ে আপনি হয়তো লক্ষ্য করে থাকবেন অনেক লোকের কবজিতে এক গুছো লাল সুতো বাঁধা থাকে | সাধারণত হিন্দু ধর্মের লোকেরা বিপদতারিনী পূজোর লাল সুতো হাতে বেধে থাকে | তাদের বিশ্বাস এই অলৌকিক সুতো সমস্ত অমঙ্গল ও বিপদ আপদ থেকে তাদের নিরাপদ রাখবে | বিভিন্ন যজ্ঞ ও পূজো ছাড়াও পুরাণে লাল সুতো ব্যবহারের আরো কিছু উদাহরণ পাওয়া যায় | প্রথমতঃ ভক্ত প্রহ্লাদের নাতি বলি মহারাজ ব্রহ্মার আশীর্বাদে সর্গ মর্ত্য ও পাতালের অধিকারী হয়েছিলেন | দেবরাজ ইন্দ্রের সিংহাসন রক্ষা করতে ভগবান বিষ্ণু বামন রূপে জন্মগ্রহণ করে বলিরাজকে পাতালে পাঠিয়ে দেন | ভগবান বিষ্ণু বলিরাজকে অমরত্ব দান করেন | আশীর্বাদ স্বরূপ তিনি তার হাতে বেধে দেন লাল সুতো | তাই ভগবানের আশীর্বাদ হিসেবে হিন্দুদের মধ্যে হাতে লাল সুতো বাঁধার প্রচলন রয়েছে। দ্বিতীয়তঃ একসময় দেবতা ও অসুরদের মধ্যে প্রচন্ড যুদ্ধ শুরু হয়,অসুরদের পরাক্রম দেখে দেবরাজ ইন্দ্র খুব চিন্তিত হয়ে পড়েন | স্বামীকে চিন্তিত দেখে স্ত্রী ইন্দ্রাণী তার জন্য প্রার্থনা শুরু করেন | ইন্দ্রাণী তার আধ্যাত্বিক শ...