হরেকৃষ্ণ হাতে লাল সুতো বাঁধা হয় কেন? হিন্দুদের মধ্যে হাতে লাল সুতো বাঁধার প্রচলন রয়েছে, রাস্তাঘাটে চলতে গিয়ে আপনি হয়তো লক্ষ্য করে থাকবেন অনেক লোকের কবজিতে এক গুছো লাল সুতো বাঁধা থাকে | সাধারণত হিন্দু ধর্মের লোকেরা বিপদতারিনী পূজোর লাল সুতো হাতে বেধে থাকে | তাদের বিশ্বাস এই অলৌকিক সুতো সমস্ত অমঙ্গল ও বিপদ আপদ থেকে তাদের নিরাপদ রাখবে | বিভিন্ন যজ্ঞ ও পূজো ছাড়াও পুরাণে লাল সুতো ব্যবহারের আরো কিছু উদাহরণ পাওয়া যায় | প্রথমতঃ ভক্ত প্রহ্লাদের নাতি বলি মহারাজ ব্রহ্মার আশীর্বাদে সর্গ মর্ত্য ও পাতালের অধিকারী হয়েছিলেন | দেবরাজ ইন্দ্রের সিংহাসন রক্ষা করতে ভগবান বিষ্ণু বামন রূপে জন্মগ্রহণ করে বলিরাজকে পাতালে পাঠিয়ে দেন | ভগবান বিষ্ণু বলিরাজকে অমরত্ব দান করেন | আশীর্বাদ স্বরূপ তিনি তার হাতে বেধে দেন লাল সুতো | তাই ভগবানের আশীর্বাদ হিসেবে হিন্দুদের মধ্যে হাতে লাল সুতো বাঁধার প্রচলন রয়েছে। দ্বিতীয়তঃ একসময় দেবতা ও অসুরদের মধ্যে প্রচন্ড যুদ্ধ শুরু হয়,অসুরদের পরাক্রম দেখে দেবরাজ ইন্দ্র খুব চিন্তিত হয়ে পড়েন | স্বামীকে চিন্তিত দেখে স্ত্রী ইন্দ্রাণী তার জন্য প্রার্থনা শুরু করেন | ইন্দ্রাণী তার আধ্যাত্বিক শ...
🌻 জপ সর্বশ্রেষ্ঠ 🌻 🚩 শ্রীল সার্বভৌম ভট্টাচার্য শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে জিজ্ঞাসা করলেন, ভগবদ্ভক্তি সাধনের সর্বশ্রেষ্ঠ পন্থা কি? শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু তখন বললেন যে, ভগবানের নাম সংকীর্তন হচ্ছে ভগবদ্ভক্তি সাধনের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রন্থা। ভক্তি সাধন শ্রেষ্ঠ শুনিতে হৈল মন। প্রভু উপদেশ কৈল নাম সংকীর্তন।। 🚩 শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু শ্রীসনাতন গোস্বামীকে এ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করে বললেন- ভজনের মধ্যে শ্রেষ্ঠ নববিধা ভক্তি। কৃষ্ণপ্রেম কৃষ্ণ দিতে ধরে মহাশক্তি।। তার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ নাম সংকীর্তন। নিরপরাধে নাম লৈলে পায় প্রেম ধন।। 🚩 শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর বলেছেন, " যত প্রকার ভজন আছে সর্বাপেক্ষা নামাশ্রয়ভজনই বলবান। নাম করিতে করিতে নববিধা ভজনই হইয়া থাকে।
♥ফুল থেকে শিক্ষা ♥ শুধুমাত্র এক রঙের ফুল দিয়ে কখনো সুন্দর একটি মালা তৈরি করা সম্ভব নয়।গাঁদা ফুল যদি বলে গোলাপে কাটা আছে তাই মালায় গাঁথা যাবে না।অথবা চামেলি বলে জুঁই থাকলে আমি থাকবোনা তাহলে একটি মালা কখনোই সুন্দর হবেনা।একটি মালা সুন্দর করে তৈরি করতে হলে সকল ফুলকে গুরুত্ব দিতে হবে।হতে পারে কোন ফুলের সুবাস নেই অথবা কোন ফুল ছোট বা বড়।কিন্তু তাতে কিছু যায় আসে না বরং নিন্মমানের ফুলগুলি সৌন্দর্যের অধিকারী হয়ে উঠে। তেমনি ভক্তিজীবনে চলতে গিয়ে আমরা নানান রকমের,নানান মনোভােবের ভক্তদের সাথে পরিচিত হই।কিন্তু অনেক সময় আমরা মন্তব্য করি এই ভক্ত এইরকম, উনি ঐ রকম, উনাদের সাথে থাকা যাবে না, উনার এই সমস্যা, তাহলে আমাদের কৃষ্ণভাবনাময় জীবন কখনোই সুন্দর হবে না।হতে পারে তিনি সেবায় তেমন ভালো নয়, কিন্তু ভাল গাইতে পারে। অথবা ভাল গাইতে পারে না ভাল রান্না পারে, ভাল নাচতে পারে,বা সাজতে পারে।কৃষ্ণভাবনায় সকলেরই প্রয়োজন রয়েছে। কাউকে অবহেলা করে বাদ দেয়া যাবেনা।যে যেইভাবে দক্ষ তাকে সেইভাবে যুক্ত করা উচিত।তাহলেই কৃষ্ণভাবনাময় জীবন সুন্দর হবে।
Comments
Post a Comment